রবিবার রাতেই নিহতদের পরিচয় জানা গেছে। তারা হলেন; বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলার কুন্দুগ্রামের ভবানী মোহন্তের ছেলে নরেশ মোহন্ত, শহরের তিনমাথা রেলগেট এলাকার মন্তেস্বরের স্ত্রী আতশী, শাজাহানপুর উপজেলার গোহাইল গ্রামের সুদেবের স্ত্রী রনজিতা।
শিবগঞ্জ উপজেলার কুলুপাড়া গ্রামের মৃত নারায়ণ কুমারের ছেলে অলক কুমার ও সারিয়াকান্দি উপজেলার সাহাপাড়ার বাসুদেব সাহার স্ত্রী জলি সাহা। আহতদের মধ্যে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতাল ও ২৫০ শয্যা মোহাম্মদ আলী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছে ৪৩ জন।
বিদ্যুতের স্পর্শে সৃষ্ট আগুনে অনেকের শরীর ঝলসে গেছে।
আহতদের হাসপাতালে নেয়ার পর তাদের পরিবারের সদস্য এবং রথযাত্রায় অংশ নেয়া শত শত মানুষ হাসপাতালের জরুরি বিভাগ এবং ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিটে (আইসিইউ) ভিড় করেন।
আহতদের হাসপাতালে নেয়ার পর তাদের পরিবারের সদস্য এবং রথযাত্রায় অংশ নেয়া শত শত মানুষ হাসপাতালের জরুরি বিভাগ এবং ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিটে (আইসিইউ) ভিড় করেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, রবিবার বিকেল ৫টার দিকে বগুড়া শহরের সেউজগাড়ি ইসকন মন্দিরের কাছে সেউজগাড়ি পালপাড়া এলাকায় রথযাত্রার উদ্বোধন করা হয়।
এরপর রথটি সেউজগাড়ি আমতলা মোড়ে পৌঁছার পর, রথের লৌহ দণ্ডটি সড়কের ওপরের ১১ হাজার ভোল্টের তারের সংস্পর্শে আসে। তখনই আগুন ধরে যায়।
এ সময় হুড়োহুড়িতে মানুষ সড়কের ওপর পড়ে যায়।
এ সময় হুড়োহুড়িতে মানুষ সড়কের ওপর পড়ে যায়।
Loading suggestions...