▶️ ৩ ডিসেম্বর মঙ্গলবার দক্ষিণ কোরিয়ার সামরিক আইন সেনারা প্রেসিডেন্ট ইউন সুক ইওল সামরিক আইন জারির পর পার্লামেন্ট ভবনে প্রবেশ করে।
প্রেসিডেন্ট তার বিরোধীদের মধ্যে কথিত “রাষ্ট্রবিরোধী শক্তি” ঠেকাতে এ আদেশ দেন, কিন্তু কয়েক ঘণ্টা পর তা পাল্টে দেন। x.com
প্রেসিডেন্ট তার বিরোধীদের মধ্যে কথিত “রাষ্ট্রবিরোধী শক্তি” ঠেকাতে এ আদেশ দেন, কিন্তু কয়েক ঘণ্টা পর তা পাল্টে দেন। x.com
এক টিভি ভাষণে ইয়ুন জাতির উদ্দেশে বলেন, পরমাণু অস্ত্রধারী উত্তর কোরিয়া ও উত্তরপন্থী রাষ্ট্রবিরোধী শক্তির হাত থেকে দেশকে রক্ষা করতে এবং দেশটির অবাধ সাংবিধানিক শৃঙ্খলা রক্ষার জন্য সামরিক আইন জারি করা প্রয়োজন ছিল তবে তিনি সুনির্দিষ্ট কোন হুমকির কথা উল্লেখ করেননি।
ইয়ুনের আকস্মিক ঘোষণা সংসদের সাথে অচলাবস্থা সৃষ্টি করেছিল। সংসদ রাজনৈতিক কার্যকলাপ নিষিদ্ধ করার এবং গণমাধ্যম সেন্সর করার তার প্রচেষ্টা প্রত্যাখ্যান করে।
বিরোধী দলগুলোর আইনপ্রণেতাদের একটি জোট জানায়, তারা বুধবার ইয়ুনকে অভিশংসনের জন্য একটি বিল উত্থাপনের পরিকল্পনা করে, যার উপর ৭২ ঘণ্টার মধ্যে ভোট গ্রহণ করা হবে।
উত্তেজনাপূর্ণ মঙ্গলবার রাতে সৈন্যরা সংসদ ভবন ঘিরে ফেলে এবং আইন প্রণেতারা সামরিক আইন প্রত্যাখ্যান করে ভোট দেয়।
উত্তেজনাপূর্ণ মঙ্গলবার রাতে সৈন্যরা সংসদ ভবন ঘিরে ফেলে এবং আইন প্রণেতারা সামরিক আইন প্রত্যাখ্যান করে ভোট দেয়।
প্রেসিডেন্ট ইয়ুন বলেন যেসকল সৈন্য মোতায়েন করা হয়েছিল তাদের প্রত্যাহার করা হয়েছে, এবং মন্ত্রীসভার “সদস্যরা আসার পরই” বৈঠক করে সামরিক আইন আনুষ্ঠানিকভাবে তুলে নেয়া হবে।(রয়টার্স)
Loading suggestions...